বিচ্ছেদের জাদু বিষয়ক কিছু ঘটনা
ঘটনা-১:
প্রবাসী এক বোনের কথা। রুকইয়ার আয়াত পড়লেই তিনি মুখে তেঁতো ভাব অনুভব করতেন। আমাদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি এক সপ্তাহ জাদুর জন্য রুকইয়াহ
করেন। এতে তার সমস্যাগুলো সাময়িকভাবে দূর হয়েছিল। কিন্তু তিনি এরপর আর রুকইয়াহ করেননি, সকাল সন্ধ্যার এবং ঘুমের আগের মাসনুন আমলগুলোও করেননি। ফলে কিছু সমস্যা প্রকট হতে থাকে। তিনি নিজের এবং স্বামীর অ্যাবসের দিকে সাক্ষ করে বুঝতে পারেন, তাদের বিচ্ছেদের জাদু করা হয়েছে। একই সাথে তার ইস্তিহাযার সমস্যাও দেখা দেয়। তার স্বামীও স্বপ্নে নানা ধরনের প্রাণীর সাথে মারামারি করতে দেখতেন। তিনি আবারও সিহরের রুকইয়াহ শুরু করেন। এ সময় তার বমি বমি ভাব হতো, কিন্তু বাম হতো না। পাঁচ-ছয় দিন সিহরের রুকইয়াহ করার পর তিনি ৭ দিনের ডিটক্স করেন। তৃতীয় দিনের মাথায় তার পিঠের নিচের দিকে এবং তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা ওঠে এবং তিনি বমি করতে থাকেন। বমি হয়ে যাবার পর তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেন। তার স্বামীও ডিটক্স করেছিলেন, এরপর থেকে তার স্বপ্ন দেখাও বন্ধ হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ, এখন তারা সুখী সংসার যাপন করছেন।
ঘটনা-২:
এক বোনের ঘটনা। তিনি এবং তার স্বামী বিচ্ছেদের জাদুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। কেউ তাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য দেখে হিংসা করে জাদু করেছিল। তার স্বামী আয়-রোজগারের জন্য প্রবাসে থাকতেন। একবার বাড়ি এসেছিলেন। তখনই তিনি এই জাদুতে আক্রান্ত হন। ছুটির শেষের দিকেই বারবার দুজনের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছিল। ফিরে গিয়ে স্ত্রীর সাথে প্রায় যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তখন ওই বোন ধারণা করেছিলেন, শুধু তার স্বামীকেই জাদু করা হয়েছে। কিন্তু রুকইয়াহ করতে গিয়ে দেখা গেল, তার মধ্যেও জাদু-আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে।ছে। এরপর আমি তাকে নিজের জন্য রুকইয়াহ করতে বলি। দুই-তিন সপ্তাহ পর তার মধ্য থেকে জাদুর লক্ষণগুলো চলে যায়। এরপর চল্লিশ দিন তার স্বামীর নিয়তে রুকইয়াহ করেন। আল্লাহর অনুগ্রহে তাদের সম্পর্ক প্রায় স্বাভাবিক হয়ে আসে। আমি তাকে সমস্যা সম্পূর্ণ দূর হওয়া পর্যন্ত রুকইয়াহ করার পরামর্শ দিই, আর বলি, তার স্বামীকে যেন সমস্যার ব্যাপারে বুঝিয়ে রুকইয়াহ করতে রাজি করেন ।
Super admin